Sunday, March 18, 2012

বৃটেনে থাকবে না স্বামী-স্ত্রী শব্দ

সমকামী বিয়েকে আইনগত বৈধতা দিতে যাচ্ছে বৃটেন। যদি তা বাস্তবায়ন হয় তবে দেশব্যাপী বিভিন্ন অফিস থেকে স্বামী (হাজব্যান্ড), স্ত্রী (ওয়াইফ), পারিভাষিক শব্দ দু’টি মুছে ফেলবে বৃটেন। সেক্ষেত্রে তারা স্পাউস ও পার্টনার শব্দ ব্যবহার করবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে কম্পিউটার সিস্টেম থেকে শব্দ দু’টি মুছে ফেলার জন্য কয়েক মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করতে হবে বৃটেনকে। গতকাল এ খবর দিয়েছে ডেইলি এক্সপ্রেস। দেশটির সমতা বিষয়ক মন্ত্রী লিনি প্যাথার স্টোন বলেছেন, ২০১৫ সালের মধ্যে বিয়ে বিষয়ক আইন পরিবর্তন করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। যাতে সমকামী জুটিদের একটি রেজিস্ট্রার অফিসে বিয়ে করতে সুযোগ দেয়া হবে অথবা বর্তমানে থাকা সিভিল পার্টনারশিপ অফিসেই তা করা যাবে। এক্ষেত্রে অনেক সরকারি অফিসকেই তাদের বর্তমান পরিভাষা স্বামী-স্ত্রী পরিবর্তন করতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ায় সিনেট নির্বাচন করবেন অ্যাসাঞ্জ!



 অস্ট্রেলিয়ার সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিশ্ব কাঁপানো ওয়েবসাইট উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ (৪০)। তার উইকিলিকস গতকাল এ কথা লিখেছে সামাজিক ওয়েবসাইট টুইটারে। গতকাল এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে বলা হয়, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। যৌন হয়রানির এক অভিযোগে তার বিরুদ্ধে শুনানি চলছে বৃটিশ কোর্টে। ওই মামলায় তাকে সুইডেনের হাতে তুলে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ মামলা থেকে বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন। তিনি ওই যৌন হয়রানির কথা সরাসরি অস্বীকার করেছেন। বলেছেন, তার বিরুদ্ধে এবং উইকিলিকসের কর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ওই অভিযোগ আনা হয়েছে। উইকিলিকস দাবি করেছে, তারা যাচাই করে দেখেছে যে- অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে এখন যে আইনি ব্যবস্থা রয়েছে তাতে তিনি অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ কক্ষ সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। টুইটারে বলা হয়েছে, জুলিয়ান নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আরও বলা হয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষের নির্বাচনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ডের আসন লালোরে তার বিরুদ্ধেও তারা প্রার্থী দেবে। আগামী বছর ওই নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

আসামে ট্রেন থেকে ৭৫ বাংলাদেশীকে নামিয়ে নিলো স্থানীয় জনতা

http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&view=article&id=37863:2012-03-17-16-10-13&catid=48:2010-08-31-09-43-22&Itemid=82

আসামে স্থানীয় লোকজন একটি ট্রেন থেকে নামিয়ে নিয়েছে ৭৫ বাংলাদেশীকে। তাদের অভিযোগ, ওইসব বাংলাদেশী অবৈধভাবে সেখানে প্রবেশ করেছে। ট্রেন থেকে নামিয়ে নেয়ার পর তাদের ৬০ জনকে স্থানীয় পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন একজন নারীও। গতকাল এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা আইএএনএস। এতে আরও বলা হয়েছে, গতকাল আসামের নওগাঁ জেলা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে জাখালাবান্ধায় এ ঘটনা ঘটে। সেখানে রাজরানী এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে ওইসব বাংলাদেশীকে নামিয়ে নেয়া হয়। নওগাঁ পুলিশ বলেছে, স্থানীয় লোকজন আমাদের বলেছে- গত কয়েক দিন ধরে ওই এলাকায় কিছু বাংলাদেশীর সন্দেহজনক ঘোরাফিরা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গতকাল স্থানীয় জনতা তাদের ঘেরাও করে জাখালাবান্ধা স্টেশনে। তারপর তারা আমাদের খবর দেয়। ওইসব সন্দেহভাজন লোক ধুবরি থেকে ওই ট্রেনে করে সকালেই জাখালাবান্ধা স্টেশনে পৌঁছায়। পুলিশ কর্মকর্তা এস আর বর্ধন বলেছেন, ওইসব লোকজন তাদের কোন বৈধ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। তাদের মধ্যে ৬০ জনকে জাখালাবান্ধা পুলিশ স্টেশনে আটক রাখা হয়েছে। বাকি ১৫ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

Monday, March 12, 2012

মার্কিন মুসলমানদের ওপর নজরদারি









মুসলমানদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশি গোপন নজরদারির ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার পর এখন এফবিআইয়ের কর্মকর্তারা মুসলিম নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। এ জন্য নিউ জার্সির এফবিআইর শীর্ষ কর্মকর্তা মাইকেল ওয়ার্ড প্যাটারসন মসজিদ সফরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মসজিদ কর্তৃপক্ষের অস্বীকৃতির কারণে তিনি ওই সফর স্থগিত করেন। ওই মসজিদটি পুলিশি গোপন নজরদারিতে রয়েছে বলে গোপন তথ্য সমপ্রতি ফাঁস হয়ে পড়ে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। ওদিকে সমপ্রতি নিউ ইয়র্ক টাইমস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, আমেরিকার মুসলমানদের ওপর নজরদারি করতে নিউ ইয়র্কের পুলিশ বিভাগের একটি বিশেষ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে হোয়াইট হাউসের লাখ লাখ ডলার খরচ করা হচ্ছে বলে এপি এক রিপোর্টে জানিয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাদক সংক্রান্ত অপরাধ কমানোর লক্ষ্যেই হোয়াইট হাউসের এ অর্থ বরাদ্দ করা হতো। কিন্তু ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর বুশ এবং ওবামা প্রশাসন নিউ ইয়র্ক ও নিউজার্সির এইচআইডিটিএ বলে পরিচিত হাই ইনটেনসিটি ড্রাগ ট্রাফিকিং এরিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে সাড়ে তের কোটি ডলার প্রদান করেছে। এ অর্থের বেশ কিছু অংশ সাদা পোশাকে মুসলমানদের ওপর নজরদারি করা পুলিশ কর্মকর্তাদের পেছনে ব্যয় করা হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। তবে কর্মসূচিটি খুব একটা নজরদারিতে নেই বলে ঠিক কি পরিমাণ অর্থ এ খাতে দেয়া হয়েছে সেটা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। মুসলমান কলেজ শিক্ষার্থী, মসজিদের বক্তৃতা এবং তাদের বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের তথ্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে কম্পিউটার কেনার জন্যও হোয়াইট হাউস অর্থ ব্যয় করেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। নিউ ইয়র্ক পুলিশ কমিশনার রেমন্ড কেলি যখন এ ব্যাপারে নানা তৎপরতা নথিভুক্ত করেছেন তখন তার বিবৃতিও এইচআইডিটিএ’র কম্পিউটারে তৈরি করা হয়েছে। পুলিশের গোপন নথি এবং সাবেক ফেডারেল এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এপি হোয়াইট হাউসের এ অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। ডিজিটাল স্বাক্ষর সংবলিত বেশ কিছু নথিও এপির হাতে এসেছে যাতে প্রতীয়মান হচ্ছে সেগুলো এইচআইডিটিএ’র কম্পিউটারে তৈরি এবং সংরক্ষণ করা হয়েছে। এইচআইডিটিএ’র কর্মসূচিটি হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল ড্রাগ কন্ট্রোল পলিসির অফিস থেকেই তত্ত্বাবধায়ন করা হয়। আমেরিকান মুসলমানদের ওপর নজরদারিতে মার্কিন প্রশাসন বলতে গেলে সিদ্ধহস্ত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সমগ্র জনগোষ্ঠীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়। ওবামা প্রশানের পক্ষ থেকে অবশ্য এ ধরনের অর্থ সরবরাহের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসও গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে। ওবামার শীর্ষ সন্ত্রাস বিষয়ের উপদেষ্টার জন ব্রেনান গত বছর নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের তৎপরতাকে বীরত্বের বলে উল্লেখ করে প্রশংসা করেছিলেন। তবে তিনি এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেননি। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগকে বিশাল অঙ্কের তহবিল সরবরাহকারী এবং মুসলমানদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক স্থাপনে সহযোগিতাকারী হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্ত্রী জেনেট নেপোলিটানো গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করা সত্ত্বেও এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ নাগরিক অধিকার রক্ষাকারী আইনজীবী টম পেরেজও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগকে নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে বেশ কয়েকবার অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ওয়াশিংটনের বাইরেও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের এ তৎপরতা নিয়ে গত সপ্তাহে বেশ সমালোচনা হয়েছে। কলম্বিয়ার ইয়েলের কলেজ প্রশাসকসহ অন্যরাও মুসলমান শিক্ষার্থী এবং তাদের স্কুলের ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশের কারণে নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের তীব্র সমালোচনা করেছেন। নিউজার্সির গভর্নর এবং সেখানকার সবচেয়ে বড় শহরের মেয়রও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের বিরুদ্ধে বিস্তৃত নজরদারির অভিযোগ করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের জন্য হোয়াইট হাউসের এইচআইডিটিএ কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছিল। মাদক অপরাধীদের রোধ করতে পুলিশকে সহযোগিতার লক্ষ্যে গত দশকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ২৩০ কোটি ডলার দেয়া হয়েছিল। ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ওই অর্থ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কাজে খরচ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে এইচআইডিটিএ’র কি পরিমাণ অর্থ গোয়েন্দা বিভাগের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সেটা স্পষ্ট নয়। এ কর্মসূচির জন্য অর্থ অনুমোদনকারী কংগ্রেসের কাছে এ ব্যাপারে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের কাছে দেয়া নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি অঞ্চলের বার্ষিক রিপোর্টেও এ ব্যাপারে কোন উল্লেখ নেই। এপি’র পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসের অর্থ এবং গোয়েন্দা বিভাগ সম্পর্কে দু’দফা প্রশ্ন করে মেইল করা হলেও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র পল ব্রাউন কোন জবাব দেননি। নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সির এ কর্মসূচির পরিচালক চাউন্সি পার্কার অবশ্য বলেছেন, হোয়াইট হাউস থেকে বরাদ্দ করা বেশির ভাগ অর্থই মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের গোয়েন্দা কাজে ব্যবহৃত যানবাহনের খাতে ১৩ লাখ ডলারের কম ব্যয় করা হয়েছে। পার্কার বলেন, নিউ ইয়র্ক বা অন্য কোন স্থানে সন্ত্রাসী হামলা প্রতিহত করার অংশ হিসেবেই তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের কাজে এসব গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস বিরোধী কোন সুনির্দিষ্ট কাজে যদি এ অর্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে তবে সেটা হয়েছে এ যানবাহন খাতেই। তবে সাবেক কর্মকর্তারা এপিকে বলেছেন, এসব যানবাহন মূলত ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন মসজিদের ছবি তোলা এবং সেখানে যাতায়াতকারীদের লাইসেন্স প্লেটের রেকর্ড সংরক্ষণের কাজে। যানবাহন খাতে হোয়াইট হাউসের অর্থ ব্যবহার করা ছাড়াও গোয়েন্দা বিভাগের অফিসের ভাড়া পরিশোধের জন্যও হোয়াইট হাউস অর্থ ব্যয় করেছে। যেসব মুসলমান নিজের নাম পরিবর্তন করে আমেরিকর উপযোগী নাম গ্রহণ করেছেন তাদের তালিকাও পুলিশ সংগ্রহ করে এইচআইডিটিএ’র কম্পিউটার সার্ভারে সংরক্ষণ করেছে। গত অক্টোবর পর্যন্তও এ প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। মুসলিম এলাকাতে নজরদারি করা গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অনেক গোয়েন্দা কর্মকর্তারই এইচআইডিটিএ’র ইমেইল ঠিকানা রয়েছে। পুলিশ কমিশনারকে অবহিত করার সব তথ্যই এইচআইডিটিএ’র কম্পিউটারে তৈরি করা হতো। পুলিশের তথ্যদাতারা মসজিদে কি শুনেছে এবং কোন কোন মুসলমান পণ্ডিতরা কোন সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন সেসব তথ্যই এতে উল্লেখ করা হতো। এপির হাতে আসা ২০০৭ সালের এক অভ্যন্তরীণ নথিতে দেখা গেছে, যখন কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে কোন গোপন তথ্যদাতাকে অর্থ প্রদান করতে হতো তখন তাকে এইচআইডিটিএ’র ওয়েবসাইটে ওই তথ্য দাতার ব্যাপারে তথ্য সংরক্ষণ করতে হতো।

Thursday, March 8, 2012

আরও অত্যাধুনিক আইপ্যাড নিয়ে এলো অ্যাপল


প্রযুক্তি দুনিয়াকে এবার চমকে দিচ্ছে জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এবার তারা আইপ্যাড-২ এর পরে নিয়ে আসছে নতুন এক আইপ্যাড। এতের রয়েছে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির সংমিশ্রণ। এতে রয়েছে ৯ দশমিক ৭ ইঞ্চির রেটিনা ডিসপ্লে। যার রেজুলেশন ২০৪৭ বাই ১৫৩৬। শক্তি যোগাবে এ৫এক্স। আছে এমন এক প্রসেসর যার ক্ষমতা দুটি সিপিইউ কোর এবং ৪টি জিপিইউ কোরের সমষ্টির সমান। এতে কোন ছবি দেখলে তা থ্রি-ডি ভার্সনের ছবির মতো দেখাবে। কোন কোন ক্ষেত্রে তা আরও উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত দেখাবে। যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য ৯টি দেশে এর বিক্রি শুরু হচ্ছে আগামী ১৬ই মার্চ। ওই ৯টি দেশ হলোÑ যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান। এর প্রারম্ভিক দাম ধরা হচ্ছে ৪৯৯ ডলার। তবে ভারতে তা বিক্রি শুরু হবে এরও দু’এক মাস পরে। অ্যাপল ঘোষণা দিয়েছে, তাদের আইপ্যাড-২ও বাজারে থাকবে। তবে তার দাম কমানো হবে ১০০ ডলার। এর অর্থ হলো বর্তমানের একটি বেসিক মডেলের আইপ্যাডের দাম দাঁড়াবে ৩৯৯ ডলার। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে অ্যাপলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে নতুন আইপ্যাড নিয়ে আসেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক। স্টিভ জবসের এই উত্তরসূরী বলেন, সবাই ভাবছিল, আইপ্যাড-২ এর চেয়ে চমৎকার পণ্য আর কে আনতে পারবে। আর ভাবতে হবে না, আমরাই তা পেরেছি। টিম কুকের মতে, নতুন আইপ্যাডের মাধ্যমে অ্যাপলের সৃষ্টিকেই আবার নতুন করে সংজ্ঞায়িত করা হলো। নতুন এই আইপ্যাডে রয়েছে পাঁচ মেগা পিক্সেলের আইসাইট ক্যামেরা। আর থ্রিজির চেয়ে দশগুণ দ্রুতগতির ফোরজি এলটিই নেটওয়ার্কে চলবে ট্যাবলেটটি। আর এই আইপ্যাড অন্য ডিভাইসগুলোর জন্য ওয়াই-ফাই হটস্পট হিসেবেও কাজ করতে পারবে। রেজুলুশন আর গ্রাফিক্সে অভাবনীয় উন্নতি হলেও, ব্যাটারি লাইফ রয়েছে আগের মতোই দশ ঘণ্টা। ২০১১ সালে বিশ্বের ট্যাবলেট বাজারের ৬২ শতাংশই দখলে ছিল অ্যাপলের। এইএমএস রিসার্চ জানিয়েছে, এ বছর তা ৭০ শতাংশে পৌঁছবে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনার জানিয়েছে, এ বছর আইপ্যাড বিক্রি হবে ৬ কোটি ৯০ লাখ। প্রতিদ্বন্দ্বী গুগলের অ্যানরয়েড সিস্টেমে চলা ট্যাবলেট বিক্রি হবে ২ কোটি ২৮ লাখ। ট্যাবলেটের বাজারে একচ্ছত্র অধিকার অ্যাপলেরই। এ বছরের শেষের দিকে উইন্ডোজ-৮ ভিত্তিক ট্যাবলেট বাজারে এলে সম্ভাবনা রয়েছে চ্যালেঞ্জ আসার। নতুন আইপ্যাড নিয়ে সেই লড়াইয়ে এগিয়েই থাকল এই টেক জায়ান্ট।

লন্ডন অলিম্পিকে কাজ দেয়ার প্রলোভনে কয়েক লাখ টাকার প্রতারণা


এ বছর লন্ডন অলিম্পিকে চাকরি দেয়ার লোভনীয় প্রস্তাব দিয়ে রাঙামাটির বিপুল সংখ্যক উপজাতি তরুণের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও কয়ে গেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ চক্রের মূল হোতা জন চৌধুরীকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ বলেছে, তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে। ৮ই মার্চ এ খবর দিয়েছে অনলাইন এমিরেটস ২৪। এতে বলা হয়, জন চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে। তিনি বাঙলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উপজাতি এলাকায় নিজেকে অলিম্পিক গেমসের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একজন সমন্বয়ক হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, ওই গেমসে কিছু স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করবেন তিনি। ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন নামের দাতব্য সংস্থার প্রধান শিমুল চাকমা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, জন চৌধুরী আমাদের কাছে যতগুলো চিঠি লিখেছেন তাতে তিনি লন্ডন অলিম্পিকের লোগো ব্যবহার কবরেছেন। তাতে তিনি বলেন, ওই গেমসে তিনি শুধু উপজাতি তরুণদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োগ করবেন। এজন্য আমরা ১৫ জন তরুণকে সংগ্রহ করি এবং তাদের কাছ থেকে জন চৌধুরীর হাতে তুলে দেই ১৪ লাখ টাকা। তিনি অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করেছেন বলে জানিয়েছেন। তার ইংরেজিতে দক্ষতাও ভাল। আমি কখনও ধারণা করতে পারি নি যে, তিনি একজন প্রতারক হতে পারেন। শিমুল চাকমা বলেন, এ নিয়ে তার সঙ্গে আমরা বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের ঢাকা অফিসে অনেকবার সভা করেছি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যারা ওই নিয়োগে নির্বাচিত হবে তাদের প্রত্যেককে ৩ হাজার পাউন্ড করে দেয়া হবে এবং দেয়া হবে ৬ মাস মেয়াদী বৃটিশ ভিসা। ওদিকে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম. ওয়ালিউল্লাহ বলেছেন, তারা পুলিশি তদন্তে সহযোগিতা করছেন। তিনি বলেন, ঘটনা শুনে মনে হচ্ছে তিনি লন্ডন অলিম্পিকের তথ্যাদি নকল করে প্রতারণা করে থাকতে পারেন। তার এ প্রতারণা সহজেই বিশ্বাস করেছে উপজাতি তরুণ-যুবকরা। ওদিকে ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন বলেছেন, তারা জন চৌধুরীকে ধরার অভিযান শুরু করেছেন। এর আগেই ক্ষতিগ্রস্তরা রাঙামাটিতে এই প্রতারণার প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছে। নাসির উদ্দিন আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। সেগুলো ব্যবহার করে তাকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। উল্লেখ্য, আগামী ২৭শে জুলাই থেকে ১২ই আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে লন্ডন অলিম্পিক।

ভারতকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ


অন্তত একটি ক্ষেত্রে ভারতকে পিছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। গতকাল আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বে রাজনীতিতে নারী প্রতিনিধি শীর্ষক একটি তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করা হয়। আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে পার্লামেন্টে নারী আসনের দিক দিয়ে বাংলাদেশ রয়েছে ৬৫ নম্বর অবস্থানে। তার প্রায় দ্বিগুন পিছনে পড়েছে ভারত। এক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান ১০৫ নম্বরে। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের পিছনে রয়েছে শুধু শ্রীলংকা ও মিয়ানমার। শ্রীলংকা রয়েছে ১২৯ নম্বরে। মিয়ারমারের অবস্থান ১৩৪ নম্বরে। এতে দেখা গেছে, ভারতের চেয়ে শুধু বাংলাদেশই নয় এগিয়ে আছে পাকিস্তান ও নেপাল। পাকিস্তানের অবস্থান তালিকায় ৫২ নম্বরে এবং নেপাল রয়েছে ২০ নম্বরে। এতে বলা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি। তাতে নারী প্রতিনিধি রয়েছেন ৬৯ জন। অর্থাৎ শতকরা ১৯ দশমিক ৭ ভাগ জনপ্রতিনিধিই নারী। অন্যদিকে ভারতের রাজ্যসভাগুলোতে মোট আসন ৫৪৫টি। এতে নারী জনপ্রতিনিধি আছেন মাত্র ৬০ জন। শতকরা হিসাবে তা ১১ ভাগ। লোকসভায় ২৪৩ আসনের মধ্যে নারী জনপ্রতিনিধি ২৬ জন। শতকরা হিসাবে তা ১০ দশমিক ৭ ভাগ।  ওদিকে পাকিস্তানের নিম্নকক্ষের মোট ৩৪২ আসনের মধ্যে নারী জনপ্রতিনিধি ৭৭ জন। শতকরা হিসাবে তা ২২ দশমিক ৫ ভাগ। উচ্চ কক্ষে ১০০ আসনের মধ্যে নারী জনপ্রতিনিধি ১৭ ভাগ। শতকরার হিসাবে তা দশতিক ১৭ ভাগ। নেপালের পার্লামেন্টে মোট আসন ৫৯৪টি। তাতে নারী আসন রয়েছে ১১৭টি। সেখান নারী প্রতিনিধির শতকরা হার ৩৩ দশমিক ২ ভাগ। তবে এ তালিকায় ১ নম্বরে অবস্থান করছে রোয়ান্ড। সেখানকার নিম্নকক্ষের মোট আসন ৮০টি। তার মধ্যে নারী রয়েছেন ৪৫ জন। তাদের শতকরা হার ৫৬ দশমিক ৩ ভাগ। উচ্চকক্ষে মোট ২৬ আসনের মধ্যে নারী আছেন ১০টিতে। তাদের শতকরা হার ৩৮ দশমিক ৫ ভাগ।