Tuesday, June 5, 2012

কবর থেকে জীবন্ত উত্থান

কবর থেকে জেগে উঠলেন ‘মৃত’ ব্যক্তি। চিৎকার করে বললেন- ‘আমাকে তোমারা মেরে ফেলতে চাইছো। জীবিতই আমাকে কবর দিচ্ছ?’ ঘটনার এ আকস্মিকতায় উপস্থিত লোকজন ভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনা জানাজানি হয়। ছুটে আসেন গ্রামের লোকজন। দেখেন, সত্যি কবরখানা থেকে জীবিত হেঁটে আসছেন ওই ব্যক্তি। নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করতে না পেরে অনেকে ঘরে ছুটে গিয়ে দরজায় খিল এঁটে দেন। এমন ঘটনা ঘটেছে ইয়েমেনে। সেখানকার ধামার প্রদেশে এক ব্যক্তি হার্ট অ্যাটাকে মারা যান শুক্রবার। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তাকে কবরে নামানো হয়। এ সময় তিনি কবর থেকে চিৎকার দিয়ে উঠে দাঁড়ান। রোববার এলেত্তজা নিউজের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ঘটনা আকস্মিকতায় সবাই বেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিল। কাফনসমেত কবর থেকে মৃত ভাবা ব্যক্তিকে ওঠে আসতে দেখে অনেকেই ভয়ে পেয়ে সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়েছেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৬৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছিলেন। ইসলামিক রীতি অনুযায়ী সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাশ কবরে নামানোর পরই তিনি জীবিত হয়ে ওঠে দাঁড়িয়েছেন।

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর ঠোঁট কেটে ভক্ষণ

সুন্দরী স্ত্রীর অন্য পুরুষের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে- এমন সন্দেহে একটি মেডিকেল ইনস্টিটিউটের সাবেক সহযোগী প্রফেসর তার স্ত্রীর ঠোঁট কেটে খেয়ে ফেলেছেন। এ অভিযোগে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সুইডেনে ঘটেছে এ ঘটনা। সেদেশের মিডিয়া বলছে, ওই প্রফেসরের বয়স ৫২ বছর। তাকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে স্ত্রীর ঠোঁট কেটে তা খেয়ে ফেলার কথা। তিনি বলেছেন, এটা সম্মান রক্ষার জন্য করেছি। আমি যা করেছি তাতে আমার কোন দুঃখবোধ নেই। কারণ, আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ঘটনা এত মারাত্মক যে, প্রসিকিউটররা এখন ওই প্রফেসরের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ আনছেন। তবে আদালত ওই অভিযোগকে একটু নমনীয় করে আগ্রাসী হামলা হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। নির্যাতিতার পক্ষে লড়াই করছেন আইনজীবী ইঙ্গেলা হেসিয়াস একমান। তিনি দাবি করেছেন, তার মক্কেলের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। তিনি বলেন, আমার মক্কেলের মারাত্মক ক্ষত হয়েছে। চিকিৎসকরা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তিনি ভাল হবেন নাকি। তার প্রচণ্ড বেদনা হচ্ছে ঠোঁটে। এ মামলার শুনানি আগামী জুলাই মাসে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। অভিযুক্ত প্রফেসরের বাড়ি ইরানে। তিনি ২০১০ সালে কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা করছিলেন। বর্তমানে তিনি তেহরানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে নিয়োজিত থাকলেও বেশির ভাগ সময় কাটান স্টকহোমে। সেখানে তিনি তার পুরনো সহযোগীদের সঙ্গে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সেখানকার পরিচালক বেঙ্গট নোরভিং বলেছে, তিনি যা করেছেন তা এক ভয়াবহ ঘটনা। তবে ঘটনাটি ইনস্টিটিউটের ভিতরে নয় বলে আমরা এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিতে পারছি না।

Sunday, June 3, 2012

জোকারবার্গ-প্রিসিলা হানিমুনে

সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জোকারবার্গ হঠাৎ বিয়ে করে সারপ্রাইজ দিয়েছেন তার বন্ধুমহলকে। একই সঙ্গে বিশ্ব মিডিয়া আলোচনায় স্থান করে নিয়েছে জোকারবার্গ-প্রিসিলা জুটি। তারা এখন হানিমুন করতে রয়েছেন ইতালিতে। সেখানে তাদেরকে দেখা গেছে ইয়াট ভাড়া করে তাতে নীল পানির ওপর আনন্দ করতে। দীর্ঘদিনের প্রেমিকাকে বিয়ে করে এখন যেন আনন্দের হাওয়ায় ভাসছেন জোকারবার্গ। তার খুশির কোন সীমা নেই। তবে এ পর্যায়ে আসতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে প্রিসিলা চ্যানকে। করতে হয়েছে অনেক সংগ্রাম। চায়নিজ বাবা ও ভিয়েতনামি মায়ের সন্তান প্রিসিলা চ্যানের আমেরিকার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাটা ছিল অনেক কষ্টের। এক্ষেত্রে তার বাবা-মাও অনেক সংগ্রাম করেছেন মেয়েকে প্রতিষ্ঠিত করতে। প্রিসিলার বাবা ডেনিশ চ্যান (৪৭) ছিলেন একটি শরণার্থী ক্যাম্পে। সেখান থেকে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান ১৯৭০ সালে। স্বপ্নের বাস্তবায়ন করতে ডেনিশ চ্যান দৈনিক ১৮ ঘণ্টা করে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেন। নিজের প্রথম সন্তান প্রিসিলার মার্কিন স্বপ্নপূরণ করতে অনেক কষ্টে সেখানে একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্ট খোলেন। একই উদ্দেশে  প্রিসিলার মা ইভো নিও দৈনিক অনেক সময় কাজ করতেন বোস্টনের টেস্টি অব এশিয়াতে। ফলে প্রিসিলাকে থাকতে হতো তার দাদীর সঙ্গে। তার চায়নিজ দাদী আবার কোন ইংরেজি জানতেন না। প্রিসিলার জীবনে তার দাদীর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তিনিই ছিলেন তার মানসিক সাপোর্ট। সব কাজের সহায়ক শক্তি ও প্রেরণা। প্রিসিলাকে ভর্তি করা হয় বোস্টনের পাশের শ্রমজীবী শ্রেণীর শহর কুইন্সির রাষ্ট্রচালিত কুইন্সি হাইস্কুলে। খুব ছোট বয়সেই তার মেধা ও অধ্যবসায় পরিস্ফূটিত হয়ে ওঠে। প্রিসিলার সায়েন্স শিক্ষক ও টেনিস কোচ পিটার সোয়ানসন বলেন, ১৩ বছর বয়সে সে আমাকে বলেছিল, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হলে আমাকে কি করতে হবে? সোয়ানসন ডেইলি মেইলকে বলেছেন, আমার শিক্ষকতা জীবনে এতটুকু বয়সে এমন প্রশ্ন আমাকে খুব কমই করেছে কেউ। প্রিসিলা জানতো সে কি চায়। এমনকি ১ ভাগ সম্ভাবনাকেও হাতছাড়া করেনি সে। সে জানতো হার্ভার্ড ছাড়া পড়তে হলে তার বায়োডাটা ভারি থাকতে হবে। এজন্য ১ ভাগ রিকোয়্যারমেন্ট অর্জন করতে টেনিসে যোগ দেন প্রিসিলা। খুব বেশি পড়াশোনা করতেন তিনি। এজন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকারে সব সময় ছিল সে প্রস্তুত। তিনি বলেন, একরার প্রিসিলা তাকে তাদের রেস্টুরেন্টে ফ্রি খাওয়ার একটি ভাউচার উপহার দেয়। ফলে তিনি তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার সংগ্রাম সম্পর্কে ধারণা পান। হার্ভার্ডের ব্যাপারে খুবই উৎসাহী ছিলেন প্রিসিলা এজন্য ভার্সিটিকে আকৃষ্ট করতে সব কিছুই করেন তিনি। যখন সে হার্ভার্ডে ভর্তি হয় তারপর আমাকে মুচকি হেসে এসে কানে কানে বলেছিল আমি আপনাকে বলেছিলাম আমি হার্ভার্ডে পড়বো বলেছেন সোয়ানসন। তিনি জানান, গত বছর প্রিসিলা ও তার বর্তমান স্বামী জোকারবার্গকে তিনি দেখতে গিয়েছিলেন ক্যালিফোর্নিয়া তাদের তিন কোটি ৫০ লাখ ডলারের ফ্ল্যাটে। তখন মার্ক জোকারবার্গ কিচেনে ছিলেন। তিনি তার কম্পিউটারে কাজ করছিলেন। প্রিসিলা পরিচয় করিয়ে দেয়ার পর মুচকি হেসে তিনি বলেছেন, সব গ্রেটম্যানের পেছনে একজন গ্রেটওমেন থাকেন। সোয়ানসন বলেন, সবাই বলে জোকারবার্গকে বিয়ে করে প্রিসিলা লাকি। কিন্তু জোকারবার্গ জানেন আসলে প্রিসিলাকে পেয়ে তিনি লাকি। তিনি বলেন, প্রিসিলা হলেন মার্কিন স্বপ্নের সর্বশেষ উদাহরণ। তার বাবা-মা কিছুই না নিয়েই এখানে এসেছিলেন। আর এখন তিনি নিজ চেষ্টায় বিলিয়নিয়ার হওয়া সবচেয়ে কম বয়সীর স্ত্রী। এর থেকে ভাল আর কি হতে পারে। প্রিসিলা তার পরিবারের শিকড়ের সম্মান রক্ষা করেছেন। তার অফিসিয়াল বায়োগ্রাফিতে উল্লেখ আছে কুইন্সি হাইস্কুল থেকে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োলজি নিয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানে এক পার্টিতে বাথরুমের লাইনে তার জোকারবার্গের সঙ্গে পরিচয় ২০০৩ সালে। সম্প্রতি প্রিসিলা ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাক্তারিতে গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেছেন। ভবিষ্যতে শিশু রোগের ডাক্তার হতে চান তিনি।

পুরুষের জন্য জন্মবিরতিকরণ পিল!

পুরুষদের জন্যও জন্মবিরতিকরণ পিল বানানো সম্ভব। একটি জিন’কে চিহ্নিত করার পর এমন আশা ব্যক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। এডিনবার্গের গবেষকরা বলেছেন, পুরুষের প্রজননতন্ত্রে সুস্থ শুক্রাণু উৎপাদনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে একটি জিন। তারা ওই জিনটিকে শনাক্ত করতে পেরেছেন। এ বিষয়ে গবেষকরা ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে কাটনাল নামের ওই জিনটিকে শনাক্ত করেন। এটি শুক্রাণু উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভূমিকা রাখে। তাই বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই কাটনাল নামের জিনটির স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারলেই সে শুক্রাণু উৎপাদন করতে পারবে না। ফলে কাটনালকে নিষ্ক্রিয় করতে পারলে সেই পদ্ধতিতে পুরুষের জন্য জন্মনিরোধক পিল আবিষ্কার করা সম্ভব। প্রজনন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন একটি পিলের খুবই দরকার। পুরুষের জন্য এখন পর্যন্ত যেসব জন্মনিরোধক ব্যবস্থা আছে তা হলো কনডম ব্যবহার করা অথবা ভ্যাসেকটমি করানো। ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের সেন্টার ফর রিপ্রোডাকটিভ হেলথ-এর গবেষকরা এখন পুরুষের দেহে অনুর্বরতার কারণ কি তা নিয়ে গবেষণা করছেন। তারা ইঁদুরের জেনেটিক কোড একের পর এক ব্যবহার করে দেখছেন কোনটির কারণে অনুর্বরতা আসে। এ গবেষণা করতে গিয়েই তারা কাটনালের সন্ধান পান। ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের ডা. লি স্মিথ বলেছেন, আমরা যদি এই গবেষণায় সফল হই তাহলে আমরা জন্মনিরোধক পিল তৈরি করতে পারবো।

এবার রোজলিন

পুনম পাণ্ডের পর এবার রোজলিন খান। পুনম পাণ্ডের পথ ধরে তিনিও নগ্ন পোজ দিলেন। তবে পুনম পাণ্ডের মতো পুরো নগ্ন নন, টপলেস। অর্থাৎ, রোজলিন খান তার শরীরের উপরের অংশ অনাবৃত করে ছবি তুলেছেন ক্রিকেটের প্রতি ও ক্রিকেটারের প্রতি ভালবাসার প্রকাশ ঘটানোর জন্য। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলো- পুনম পাণ্ডে নগ্ন হয়েছেন তার প্রিয় দল কলকাতা নাইট রাইডার্স আইপিএলে বিজয়ী হওয়ায়। আর রোজলিন খান নগ্ন হলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী দল চেন্নাই সুপার কিং ও এর অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্য। গতকাল টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এ নিয়ে রোজলিনের ওই ছবিসহ রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এতে দেখা যায়, রোজলিন দু’হাত ক্রস করে বুকের ওপর রেখেছেন। তাতে সামান্যই লজ্জা ঢাকতে পেরেছেন তিনি। রোজলিন খান ভারতের মডেল। তবে ইদানীং তিনি অভিনয়ে এসেছেন। তিনি নিজের ওই ছবি তোলার পর বলেছেন, আমি চেন্নাই দলকে ও ধোনিকে ভালবাসি। সর্বোপরি তারা সেরা। বাস্তবিকই আমি ভেবেছিলাম তারা জিতবে। কিন্তু তাদের হারে আমার স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেছে। তা যাই হোক, আমি আমার প্রিয় দলের প্রতি আমার ভালবাসার প্রকাশ ঘটালাম। আমি নিশ্চিত আগামী আইপিএলে তারা আবার ফিরে আসবে। কিন্তু তার আগে তারা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে ইতিহাস সৃষ্টি করবে। তাদের প্রচেষ্টার জন্য এ ছবিটা আমার সামান্য (টোকেন) প্রশংসা।

৩৮ তলা উপরে সুইমিং পুল!

একটি সুইমিংপুল। ভূমি থেকে ৩৮ তলা উপরে। সাঁতার তো পরের কথা। আগে সাহস চাই সাঁতারুর। হ্যাঁ, এমন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সিঙ্গাপুর। যেখানে ‘স্কাই হেবিটেট সিঙ্গাপুর’ প্রকল্পের বৃহৎ দু’টি টাওয়ারকে সংযুক্ত করা হয়েছে বিশাল সুইমিংপুল দ্বারা। উচ্চাকাঙ্খী এই প্রকল্প শেষ হবে ২০১৬ সালে। সিঙ্গাপুরের সেন্ট্রাল দ্বীপ বিশান-এর শহরতলিতে ৫০৯ অ্যাপার্টমেন্ট বিশিষ্ট এই প্রকল্প তার বসবাসকারীদের সরবরাহ করবে আকর্ষণীয় সব দৃশ্য। এর ডিজাইন করেছে দ্য মোশে স্যাফডি ডেভেলপমেন্ট। এতে ফ্ল্যাটের মালিকরা আকাশ-ব্রিজ ব্যবহার করে এক টাওয়ার থেকে অন্য টাওয়ারে যেতে পারবেন। ভবনের ১৪তম ও ২৬তম ফ্লোরে থাকবে এসব আকাশ ব্রিজ। প্রকল্পটির ডেভেলপার ক্যাপিটাল ল্যান্ড-এর সিইও ওং হেং ফাইন বলেন, স্কাই হেবিটেটের মাধ্যমে আমরা আগামী প্রজন্মের বাসস্থান তৈরি করছি। যেখানে একটা অ্যাপার্টমেন্ট হবে একটি হাউজের মতো। স্কাই হেবিটেট তার বাসিন্দাদের হাইরেইজ অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসের পরও হাউজের সুবিধা দিচ্ছে এভাবে। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক বাতাস, বিলাসবহুল বাগান, আকাশ ব্রিজসহ হাঁটার বিভিন্ন ব্যবস্থা। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বিলাসবহুল সুবিধা সংবলিত স্থানে বাসের সুযোগ পাচ্ছেন এর বসবাসকারীরা। স্যাফডি এর আগেও সুইমিংপুল বানিয়েছে। সেটা ছিল চারশ’ কোটি পাউন্ডে বানানো ম্যারিনা বে স্যান্ডস ডেভেলপমেন্টে। ওটাও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত। জাহাজের আকৃতির স্কাইপার্ক হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যয়বহুল তিনটি হোটেলের ১ম স্থানের অধিকারী। খোলা বাতাসের সুইমিংপুলটি নেমো-৩৩ এর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতায় থাকবে। নেমোর গভীরতা ৩৩ মিটার যা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সুইমিংপুল। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের দ্য ভেন্যু সুইমিংপুলে ২৫ লাখ লিটার পানি আছে। এটা বিশেষত স্কুবা ড্রাইভারদের প্রশিক্ষণের জন্য। এটি চিলির স্যান অ্যালফনসো ডেলমার রিসোর্টের সুইমিংপুল থেকে কিছুটা ছোট। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সুইমিংপুল চিলির স্যান অ্যালফনসো। এটা ১শ’ কোটি ডলার ব্যয়ে তৈরি করা হয়। এতে পানির পরিমাণ ৬ কোটি ৬০ লাখ গ্যালন।

কথা রাখলেন পুনম

 শেষ পর্যন্ত কথা রাখলেন বলিউডের এ সময়ের সর্বাধিক আলোচিত পুনম পাণ্ডে। তিনি তার ভক্ত ও অনুসারীদের রীতিমতো চমকে দিলেন। কথা দিয়েছিলেন- আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স চ্যাম্পিয়ন হলে তিনি নগ্ন হবেন। বলিউড বাদশা শাহরুখ খান (এসআরকে)-এর বিজয় উদ্‌যাপন করবেন। ঠিক তাই করলেন। পুরো নগ্ন হয়েছেন তিনি। আর সেই সময়ের ছবি তুলে তা সামাজিক ওয়েবসাইট টুইটারে ছেড়ে দিয়েছেন। সঙ্গে অনেক কথা বলেছেন। রোববার রাতে চেন্নাইয়ের অনুষ্ঠিত আইপিএলের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরপরই তিনি নিজের পুরো নগ্ন ছবি টুইটারে পোস্ট করেন। গত মাসে আইপিএল যখন আস্তে আস্তে ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তখন তিনি একটি টুইটার বার্তা লেখেন। তাতে তিনি লিখেছিলেন- ‘ওয়া..ও  আমি যে দলকেই সমর্থন করি সেই দলই বিজয়ী হয় # আইপিএল# কেকেআর# এসআরকে আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি একটি ছবি তুলব# তাতে আমার সারা শরীর থাকবে উদোম’। কেকেআর যখন বিজয়ী হয় তখন তিনি আবার টুইটারে বার্তা লেখেন- ‘সতর্কতা- ১৮ বছর ও এর কম বয়সীদের এই ছবি দেখতে চেষ্টা করা উচিত হবে না। কম বয়সী কেউ এ ছবি দেখলে তার দায় দায়িত্ব আমি নেবো না# নতুন ছবি# একেবারে নগ্ন’। এর পরেই পুনম পাণ্ডে চমকে দেন। সত্যি সত্যি তিনি কথা রাখলেন! সত্যি সত্যি তিনি কাপড় খুলে ফেললেন! আর সেই অবস্থায় ছবি তুলে নিজের প্রতিশ্রুতি রাখলেন! ছবিটি পোস্ট করে দিলেন টুইটারে। তাতে লিখলেন- ‘# নতুন ছবি এবং আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম এই ছবিটি সেই প্রতিশ্রুতি রাখা # আইপিএল # কেকেআর # এসআরকে # পুরো নগ্ন # শুধু ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য’। এ কথা বলে তিনি যে ছবিটি পোস্ট করেছেন তাতে তাকে দেখা যাচ্ছে, পুরো বিবস্ত্র হয়ে তিনি উপুড় হয়ে শুয়ে আছেন। তবে তাতে শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাগুলো দেখা যাচ্ছে না। ওদিকে গতকাল আবারও তিনি টুইটারে বলেছেন, রোববার রাতে যে ছবিটি পোস্ট করেছি সেটা সবেমাত্র শুরু। এর পর রয়েছে এর চেয়েও বেশি কিছু। তবে তা দেখতে ধৈর্য ধরে আরও অপেক্ষা করতে হবে।